২০২৯ সাল

বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে সম্পদের পরিমাণ দাঁড়াবে ৯.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে

গত বছরের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে সম্পদের আকার ছিল ৫ দশমিক ৯৮ ট্রিলিয়ন বা ৫ লাখ ৯৮ হাজার কোটি ডলার, তা ২০২৯ সালে ৯ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন (৯ লাখ ৭০ হাজার কোটি) ডলারে পৌঁছবে।

গত বছরের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে সম্পদের আকার ছিল ৫ দশমিক ৯৮ ট্রিলিয়ন বা ৫ লাখ ৯৮ হাজার কোটি ডলার, তা ২০২৯ সালে ৯ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন (৯ লাখ ৭০ হাজার কোটি) ডলারে পৌঁছবে। সম্প্রতি নতুন এক বিশ্লেষণে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এ প্রবৃদ্ধির পেছনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে ব্যাংকিং, সুকুক বন্ড ও তাকাফুল বীমা বাজারের সম্প্রসারণ। খবর আরব নিউজ।

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপ (এলএসইজি) ও ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য ইসলামী করপোরেশন ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব দ্য প্রাইভেট সেক্টর (আইসিডি) যৌথভাবে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, চলমান প্রবণতা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি হবে প্রায় ১০ শতাংশ।

ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে সম্পদের প্রায় ৭২ শতাংশ বা ৪ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার সম্মিলিতভাবে দখলে রেখেছে তিন দেশ। এর মধ্যে ২ দশমিক ২৪ ট্রিলিয়ন ডলারের হিস্যা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ইরান। এরপর সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ায় ইসলামী ফাইন্যান্স খাতে মোট সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ১ দশমিক ৩১ ট্রিলিয়ন ও ৭৬১ বিলিয়ন ডলার।

এলএসইজির ইসলামী ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মুস্তাফা আদিল বলেন, ‘আগামী দিনগুলোয় আন্তঃসীমান্ত সংযোগ, নীতিনির্ধারণে অগ্রগতি ও বিভিন্ন জাতীয় কৌশলগত উদ্যোগের মাধ্যমে এ খাতের অভিমুখ নির্ধারণ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্স খাতের মোট সম্পদ ২০২৯ সালের মধ্যে ৯ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে, যা বার্ষিক গড়ে ১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি নির্দেশ করে।’

মুস্তাফা আদিলের মতে, প্রবৃদ্ধির এ হার প্রমাণ করে যে ইসলামী ফাইন্যান্স খাত ‘টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি’তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এদিকে অন্য দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত ও কাতারে যথাক্রমে ৪৬০ বিলিয়ন, ১৯৮ বিলিয়ন ও কাতারের ১৯২ বিলিয়ন ডলার ইসলামী ফাইন্যান্স সম্পদ রয়েছে। এরপর ইন্দোনেশিয়া, বাহরাইন, তুরস্ক ও পাকিস্তানে এর আকার যথাক্রমে ১৭৯ বিলিয়ন, ১৩৯ বিলিয়ন, ১২৭ বিলিয়ন ও ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

এলএসইজি আরো জানিয়েছে, সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মাঝেও বৈশ্বিক সুকুক বাজার ২০২৪ সালে ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ওই বছরের শেষে বৈশ্বিক সুকুক ইস্যুর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি।

আরও